গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকারের পতনের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
প্রকাশিত তথ্যানুসারে, আশ্রয়গ্রহণকারীদের মধ্যে ২৪ জন ছিলেন রাজনৈতিক নেতা, পাঁচজন বিচারক, ১৯ জন বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা, ৫১৫ জন পুলিশ সদস্য, কয়েকজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা এবং ১২ জন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। এ ছাড়া ৫১ জন ছিলেন তাঁদের পরিবারের সদস্য, যাঁদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। সব মিলিয়ে ৬২৬ জন ব্যক্তি বিভিন্ন সেনানিবাসে নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নিয়েছিলেন।
আইএসপিআর জানায়, এই ব্যক্তিদের অধিকাংশই মাত্র এক-দুদিনের মধ্যে সেনানিবাস ত্যাগ করেন। তবে পাঁচজনকে তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও
প্রসঙ্গত, চলমান সংকটের সময় সেনানিবাসে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে গত বছরের ১৮ আগস্ট আইএসপিআরের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল। একই দিনে ১৯৩ জনের একটি তালিকাও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এতে ৪৩২ জন সাধারণ পুলিশ সদস্য এবং একজন এনএসআই কর্মকর্তাকে বাদ রাখা হয়।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এটি ছিল একটি মীমাংসিত বিষয় এবং সেনাবাহিনী এই প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।
সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের তালিকা..











