অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে এবং সেই অর্থ বর্তমানে দেশে বিশৃঙ্খলা ও সংহতি বিনষ্টের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। জাতীয় ঐক্য অটুট রাখতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার সকাল ১০টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, “রাজনৈতিক ঐকমত্য অর্জনের মাধ্যমে অল্প কিছু সংস্কারের পর নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হলে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।”
তিনি আরও জানান, যদি প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হয়, তবে সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়তে পারে। সবকিছু বিবেচনায়, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা সম্ভব।
আরও
প্রবাসীদের ভোটাধিকারের প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, “এবার আমরা প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এটি এই সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। এজন্য একটি নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।”
এর আগে, সকাল সোয়া ৭টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ড. ইউনূস। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল তাকে রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়।
এরও আগে, সকাল সাড়ে ৬টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। পরে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।









