পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট পিকে ৮৩৯ শুক্রবার দিবাগত শেষ রাতে সৌদি আরবের রিয়াদে জরুরি অবতরণ করে। কার্গো কেবিন থেকে উচ্চ তাপমাত্রার রিপোর্ট পাওয়ার পর পাইলট বিমানটি অবতরণ করেন। পরে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তা আজ শনিবার জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। বিমান সংস্থাকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ। এতে বলা হয়, জেদ্দার উদ্দেশে শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টায় করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে উড্ডয়ন করে।
ওদিকে একজন যাত্রী জানান, ফ্লাইটের সময় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। অনাকাক্সিক্ষত শব্দের বিষয়ে জানানোর পর বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে রিয়াদে নিয়ে অবতরণ করানো হয়। এরপর যাত্রীদেরকে বোয়িং ৭৭৭ বিমান থেকে নামিয়ে নেয়া হয়।
পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একজন মুখপাত্র বলেছেন, পাইলটকে কার্গো কেবিনে উচ্চ তাপমাত্রার বিষয়ে বার্তা দেয়া হয়েছিল। এর ফলেই বিমানকে জরুরি অবতরণ করানো হয়। তবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। দ্রুত চেক শেষ করে তা জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করে।
আরও
ফলে বিমানের যাত্রীদের নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে ২১শে মে অত্যধিক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সন্দেহজনক হার্ট এটাকে নিহত হন একজন যাত্রী। আহত হন ৩০ জন। এ সময় বিমানের যাত্রী এবং কেবিন ক্রুরা অস্থির হয়ে পড়েন। পরে দেখা যায় ওই বিমানের ভিতরে অনেক কিছু ভেঙেচুরে গেছে। এ কারণে বিমানটি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অবতরণে বাধ্য হয়।
একইরকমভাবে দোহা থেকে আয়ারল্যান্ডে যাওয়ার জন্য কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে উঠা যাত্রীদের মধ্যে ১২ জন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আহত হয়েছেন। ডাবলিন এয়ারপোর্ট ২৬ শে মে বলেছে, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে ইরানে। সেখানকার প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ ৯ আরোহীকে নিয়ে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হন সবাই।










