পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে—এমন গুঞ্জনকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেন।
নাকভি বলেন, “আমরা জানি কারা এই মিথ্যা প্রচারণার পেছনে রয়েছে এবং এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগে বাধ্য করার মতো কোনো আলোচনা হয়নি এবং সেনাপ্রধানের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আকাঙ্ক্ষাও নেই।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রেসিডেন্ট জারদারির সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বের সম্পর্ক সুদৃঢ় ও সম্মানজনক। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা পাকিস্তানকে শক্তিশালী করতে যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।”
আরও
এদিকে, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) দলের সিনেটর ইরফানুল্লাহ সিদ্দিকীও এসব গুজবকে “বানোয়াট গল্প” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “জারদারি রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন এবং সরকার পরিচালনায় কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেননি।”
গত কয়েক বছরে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব ও সমালোচনার প্রবণতা বেড়েছে। এসব কর্মকাণ্ডকে ‘ডিজিটাল সন্ত্রাসবাদ’ বলে উল্লেখ করেছে সামরিক বাহিনী এবং তারা এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসে প্রেসিডেন্ট জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যৌথভাবে সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকে ‘ফিল্ড মার্শাল’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তাঁর কৌশলগত নেতৃত্বের জন্য এই পদমর্যাদা দেওয়া হয়।









