কোভিড-পরবর্তী অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং পর্যটন খাতকে চাঙা করতে ৭৪টি দেশের নাগরিকদের জন্য ৩০ দিন পর্যন্ত ভিসামুক্ত প্রবেশের সুযোগ চালু করেছে চীন। ফলে আবারও বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় সরব হতে শুরু করেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।
২০২৩ সালে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ কোটি ৩৮ লাখ, যা মহামারির আগের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। এমন পরিস্থিতিতে ভিসানীতি ঢেলে সাজিয়ে বিদেশিদের আকৃষ্ট করতে নতুন এই পদক্ষেপ নেয় বেইজিং। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার একাধিক দেশ এর আওতায় এসেছে।
নতুন এই ভিসামুক্ত সুবিধার আওতায় জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, মালয়েশিয়া এবং উজবেকিস্তানসহ ৭৪টি দেশের নাগরিকরা এখন চীনে এক মাস পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন। পর্যটন বিশ্লেষকদের মতে, এটি চীনের জন্য একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, যা বিদেশি পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
আরও
তবে আফ্রিকার বড় কোনো দেশের জন্য এখনো ভিসামুক্ত সুবিধা চালু করা হয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য, চেক প্রজাতন্ত্র, সুইডেন, লিথুয়ানিয়া, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য শুধুমাত্র সীমিত সময়ের ট্রানজিট ভিসা দেওয়া হচ্ছে, যার মাধ্যমে তারা ১০ দিন পর্যন্ত চীনে অবস্থান করতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু দেশকে তালিকার বাইরে রাখার পেছনে রয়েছে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন। তবে সামগ্রিকভাবে এই উদার ভিসানীতি চীনের পর্যটন ও বৈদেশিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।










