মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের আশপাশের শপিংমলগুলোতে পরিচালিত এনফোর্সমেন্ট অভিযানে বাংলাদেশিসহ ১৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। শনিবার (১৭ মে) ইমিগ্রেশনের উপমহাপরিচালক (অপারেশনস) জাফরি এমবক তাহা এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।
জাফরি জানান, পুত্রজায়ার ইমিগ্রেশন সদর দপ্তরের নেতৃত্বে ১০৬ জন কর্মকর্তা এই অভিযানে অংশ নেন। মোট ৯৬৪ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ২৭৩ জন ছিলেন বিদেশি এবং ৬৯১ জন মালয়েশীয় নাগরিক। অভিযান চলাকালে কিছু বিদেশি পালানোর চেষ্টা করেন এবং কেউ কেউ গোপন স্থানে—যেমন টয়লেট, সিঁড়ির নিচে ও দোকানের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। এছাড়া কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নথি লুকিয়ে ফেলেন এবং কেউ কেউ দরজা খুলতেও অস্বীকৃতি জানান।
আটকদের বয়স ২২ থেকে ৪৮ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ১১০ জন পুরুষ এবং ৩৩ জন নারী। আটক অভিবাসীদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, সিরিয়া, চীন ও আফগানিস্তানের নাগরিক রয়েছেন। তবে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।
আরও
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে অপরাধগুলো শনাক্ত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে—পরিচয়পত্র না থাকা, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং জাল নথি ব্যবহার। এসব কারণে তাদের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়েছে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য।
উপমহাপরিচালক মালয়েশীয় নাগরিকদের সতর্ক করে বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ, আশ্রয় বা সহযোগিতা প্রদান আইন লঙ্ঘনের শামিল। তিনি জানান, ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন, ১৯৬৬ সালের পাসপোর্ট আইন, ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশন এবং ২০০৭ সালের অপটিজম আইনের আওতায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










