সর্বশেষ

আবারও জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকলেন মোদি

Modi calls emergency security meeting againCity ads Investment (1)

পহেলগামে ভয়াবহ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির (সিসিএস) এক জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। পহেলগাম হামলার পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক আহ্বান করলেন তিনি।

বুধবার, ৩০ এপ্রিল স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে এই সিসিএস বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পহেলগাম হামলার পর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় দফা বৈঠক। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সিসিএস-এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং তারা সকলেই এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভারত কর্তৃক সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের পর প্রতিবেশী পাকিস্তান এটিকে যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য বলে মন্তব্য করেছে।

এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির এই বৈঠক থেকে ভারতের ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিসিএস-এর বৈঠকের পরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে রাজনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিপিএ) আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও, সিসিপিএ-র বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গডড়করি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং অন্যান্য  মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে, পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল সিসিএস-এর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বৈঠকে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল পহেলগামে সংঘটিত হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের অধিকাংশই ছিলেন পর্যটক। ২০০০ সালের পর থেকে এটি ওই অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup
Probashir city Squre Popup