আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর চাপের মুখে কিছুটা ক্ষোভই ঝাড়লেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাইডেন বলেন, একমাত্র ঈশ্বর এসে আমাকে বললেই পদত্যাগ করবো। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে এ সাক্ষাৎকার দেন বাইডেন।
এবিসি নিউজের সঙ্গে ২২ মিনিটের সাক্ষাৎকারে বাইডেন বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোটে আমিই পরাজিত করেছি। অন্য যেকোন প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি কাজ করেছি। তাই ২০২৪-এ লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করছি।
বাইডেন বলেন, একমাত্র সর্বশক্তিমান প্রভু নেমে এসে আমাকে নির্দেশ দিলেই পদত্যাগ করবো, তাছাড়া নয়। আমি লড়াইয়ে থাকছি এবং নভেম্বরের ভোটে জিততে চলেছি।
আরও
নভেম্বরের নির্বাচন উপলক্ষে সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে গত সপ্তাহে প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে রিপাবলিকান প্রার্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হয়েছিলেন বাইডেন। তবে ওই বির্তর্কে ট্রাম্পের কথার তোড়ে কিছুটা নাস্তানাবুদ হন বাইডেন।
তাৎক্ষণিক জরিপে বলা হয়, বিতর্কে পরাজিত হয়েছেন বাইডেন। এরপরই দলের মধ্যে জল্পনা ওঠে, বাইডেন পারবেন তো! এমনকি প্রার্থিতা থেকে তার সরে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গও উঠে আসে দলের ভেতরে। দাবি ওঠে, ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সক্ষম, আরেকটু কম বয়সী কাউকে প্রার্থী করার।
এমন পরিস্থিতি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই বাইডেন নিজের সক্ষমতার প্রচার চালাতে বাধ্য হয়েছেন। শুক্রবার উইসকনসিন রাজ্যে প্রচারাভিযানে গিয়েও বাইডেন সমর্থকদের উদ্দেশ্যে জানান, তিনিই নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকছেন।
বাইডেন দাবি করেন, বিতর্কে তিনি যখন ধীরস্থির থাকার চেষ্টা করেছেন, তখন ট্রাম্প মিথ্যা কথার স্রোত বইয়ে দিয়েছেন। এমনকি তার মাইক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও কথা বলে গেছেন।
বাইডেন বলেন, বিতর্ক অনুষ্ঠানের পর থেকে অনেক জল্পনা-কল্পনা চলছে। জো কি করতে যাচ্ছে? তিনি কি দৌড়ে থাকবেন? তুমি কি করতে যাচ্ছো?
উইসকনসিনের ভোটারদের বাইডেন বলেন, আমার জবাব হচ্ছে, আমি লড়ছি এবং আবার জিততে যাচ্ছি। কিছু লোক আমাকে লড়াইয়ের বাইরে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।
ট্রাম্পকে ‘সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী’ বলেও অভিহিত করে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, আসুন, সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী এবং সবচেয়ে বড় হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আসলেই কোনটা দরকারি, তার ওপর নজর দিই। কেননা, ট্রাম্প সত্যিই, আমেরিকান ইতিহাসে আমাদের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।













