সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক ট্রেন্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মে শনিবার পর্যন্ত ‘ট্রাম্প মারা গেছেন’ শিরোনামে ৫৬ হাজারেরও বেশি পোস্ট করা হয়েছে, যা ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।
এই গুজবের শুরুতে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের হাতের ক্ষতচিহ্ন এবং গোড়ালিতে ফোলাভাবের বিষয়টি আসে। জুলাই মাসে হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, এটি গুরুতর কিছু নয়। কিন্তু সম্প্রতি কিছু ছবিতে দেখা গেছে, ট্রাম্পের হাতের ক্ষত ঢাকতে মেকআপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা নতুন বিতর্ক উস্কে দিয়েছে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যও এই গুজবকে আরও জোরালো করেছে। ২৭ আগস্ট ইউএসএ টুডেকে তিনি বলেন, যদি কোনো ‘ভয়াবহ দুর্ঘটনা’ ঘটে, তিনি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ট্রাম্প এখনও সুস্থ ও শক্তিশালী।
আরও
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের হাতে দেখা দেওয়া ক্ষত সাধারণ ‘সফট টিস্যু ইরিটেশন’, যা হাত মেলানো ও অ্যাসপিরিন ব্যবহারের কারণে হয়। কোনো গভীর শিরা বা ধমনী সমস্যা নেই। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্টের কর্মস্পৃহা ও অঙ্গীকার এখনও অটুট।
তবু সরকারি ব্যাখ্যা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যমে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও গুজব থামছে না। ‘ট্রাম্প ইজ ডেড’ ট্রেন্ড রাজনৈতিক ও জনমাধ্যমে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সমালোচকরা প্রশ্ন করছেন, এটি শুধুই ট্রলিং, নাকি এর আড়ালে আরও গুরুতর কিছু রয়েছে।












