যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বৈধ ভিসাধারীর তথ্য নতুন করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের দেশ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সব ভিসাধারীই সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় থাকেন এবং নিয়মভঙ্গ বা অযোগ্যতা ধরা পড়লে ভিসা বাতিল করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অবৈধ অভিবাসন দমন ও ভিসা নীতি কঠোর করার একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে। বৈধ ভিসাধারীরাও মাঝে মাঝে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির শিকার হচ্ছেন। ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, জননিরাপত্তার হুমকি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বা সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার রেকর্ড, অভিবাসন নথি এবং নতুন তথ্যও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ঘোষণা দিয়েছেন, আপাতত বিদেশি ট্রাকচালকদের জন্য নতুন কোনো কর্মভিসা দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, বিদেশি চালকেরা স্থানীয় নাগরিকদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ হ্রাস করছে।
আরও
ভিসা প্রক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খতিয়ানও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। সব ভিসা আবেদনকারীকে সাক্ষাৎকারের সময় মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রাইভেসি সেটিংস বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া ফিলিস্তিন সমর্থক বিক্ষোভসহ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে আইনভঙ্গের যেকোনো তথ্যও নজরদারির আওতায় থাকবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দিন দিন কঠোর হয়ে উঠছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে, হোয়াইট হাউজে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ছয় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার ভিসা সরাসরি আইনভঙ্গের কারণে বাতিল হয়েছে, এবং সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২০০–৩০০ ভিসা বাতিল করা হয়েছে।











