যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে কারফিউ জারির পরও রাস্তায় নেমে এসেছেন শত শত বিক্ষোভকারী। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত ৮টা থেকে শুরু হওয়া কারফিউ উপেক্ষা করে তারা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশের সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্দোলনকারীরা স্লোগানে মুখরিত করে তোলে নগরীর বিভিন্ন এলাকা।
বিবিসি জানিয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিক্ষোভকারীদের বারবার অনুরোধ করছে এলাকা ত্যাগ করতে, নইলে তাদের গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। একাধিক এলাকায় হেলিকপ্টার টহল দিচ্ছে এবং নিচে ভিড়ের উপর সার্চলাইট ফেলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার প্রেক্ষিতে নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় কারফিউ জারি ছাড়া আর কোনো পথ খোলা ছিল না।
কারফিউ শুরুর আগে শহরের বাসিন্দাদের মোবাইলে পাঠানো একটি বার্তায় মেয়র ক্যারেন ব্যাস জানান, রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ কার্যকর থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা ও কর্মস্থলে যাতায়াতকারীরা এর আওতার বাইরে থাকবেন। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আরও বলেন, শহরজুড়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই সিদ্ধান্ত।
আরও
লস অ্যাঞ্জেলেসে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আরও অন্তত ১০টি শহরে। নিউইয়র্ক ও টেক্সাসের বিভিন্ন শহরেও হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন। টেক্সাসে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অভিবাসন সংক্রান্ত অভিযানের বিরোধিতায় শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক উত্তেজনার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।











