যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণের মাধ্যমে নাগরিকত্ব লাভের পথ বন্ধ করতে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য আবেদনকারীদের ভিসা যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দূতাবাস কর্মকর্তারা আরও কঠোরভাবে তথ্য খতিয়ে দেখতে পারবেন। কোনো ভিসা আবেদন সন্দেহজনক মনে হলে, তা বাতিল করার অধিকারও থাকবে তাদের হাতে। ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যদি দূতাবাস কর্মকর্তাদের ধারণা হয় যে কোনো আবেদনকারী মূলত সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে নাগরিকত্ব লাভের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চায়, তাহলে তার পর্যটন ভিসার আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই ধরনের অভিপ্রায়কে অনুমোদনযোগ্য বলে বিবেচনা করছে না।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব। তবে এই নীতিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।
আরও
ট্রাম্পের আদেশের বিরোধিতা করে প্রথম মামলা দায়ের করে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন নামক একটি অভিবাসনপন্থী সংগঠন। এছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আইনি চ্যালেঞ্জ গড়ে উঠেছে। বিষয়টি পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে সুরক্ষিত জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিধান বাতিল করা সম্ভব নয়। সংবিধান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী সবাই নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকারী, সে কারণে এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতেও আইনি লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।











