আমেরিকা দীর্ঘ দিন ধরে ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে আসছে। সৌদি আরবের পক্ষে এই প্রচেষ্টার একক কুশীলব ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
তিনি ক্ষমতা নেয়ার পরই ইসরায়েলের মতো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার করার পথে হাঁটতে শুরু করে দেশটি। এই কারণে তিনি গুপ্তহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও দাবি করেন ক্রাউন প্রিন্স।
আমেরিকান অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন পলিটিকোয় গতকাল বুধবার প্রকাশিত একটি কলামে মার্কিন আইন প্রণেতাদের সাথে সৌদি রাজ কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক কথোপকথনের বরাত দিয়ে এই সংবাদ প্রকাশ করে।
পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি রাজ কর্মকর্তারা কংগ্রেস সদস্যদের কাছে উল্লেখ করেছেন যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সাথে একটি বড় দর কষাকষি করে তার জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছেন। যার মধ্যে সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করা রয়েছে।
আরও
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আনোয়ার সাদাতের বিষয়টিও সামনে আনা হয়। ইসরায়েলের সাথে শান্তি চুক্তি করার পরই তিনি হত্যকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। সাদাতকে রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কী করেছিল সেই প্রশ্নও তুলেছেন সৌদির রাজ কর্মকর্তারা।
এর আগে ২০২০ সালে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কোর সাথে মার্কিন মধ্যস্থতায় সম্প্রীতি চুক্তিতে প্রবেশ করে। আবার ওয়াশিংটনও তেল আবিবের সাথে রিয়াদের সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।











