রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একই ফ্লাইটে আসা সাত যাত্রীর লাগেজ থেকে ৩৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ভারত থেকে আসা ওই যাত্রীদের কাছ থেকে জব্দ করা এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাত লাখ ৭০ হাজার টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ভারতের মুম্বাই থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার ‘এআই-২১৮৩’ ফ্লাইটে করে বিদেশি মদের একটি চালান আসছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগে থেকেই নজরদারি বাড়ায় কাস্টমস গোয়েন্দার সি-শিফটের দল। সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর ওই যাত্রীরা ইমিগ্রেশন শেষ করে লাগেজ নিয়ে গ্রিন চ্যানেল পার হচ্ছিলেন। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে কাস্টমস কর্মকর্তারা তাঁদের গতিরোধ করেন এবং লাগেজে তল্লাশি চালিয়ে লুকানো অবস্থায় মদের বোতলগুলো উদ্ধার করেন।
আরও
তল্লাশিকালে যাত্রী আজমুল হকের লাগেজ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লিটার মদ পাওয়া যায়। এ ছাড়া মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার কাছ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরান ও বাবুল মিয়ার কাছ থেকে ৬ লিটার করে, মো. নাফিজ সাবাত ও আল আমিন শেখের কাছ থেকে সাড়ে ৩ লিটার করে এবং সাদ্দাম হোসাইনের লাগেজ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে একই সঙ্গে একাধিক যাত্রীর লাগেজ থেকে বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের ঘটনাটি বেশ সন্দেহজনক। এটি কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের পরিকল্পিত কাজ কি না এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী জব্দ করা মদের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।










