ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় দেশটিতে কর্মরত সব মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় তারা ‘জাতীয় পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কৌশল’ বা ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে। ‘ওমান ভিশন ২০৪০’-এর লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা কমানো এবং শ্রমিকদের জীবনের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই জাতীয় কৌশলের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। শুধু তাই নয়, কাজের পরিবেশের মান উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে পুরো ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ মনে করে, একটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশের কোনো বিকল্প নেই। তাই সরকারি ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অংশীদারিত্বমূলক লক্ষ্য অর্জনে কাজ করবে ওমান সরকার।
‘মানুষের নিরাপত্তা একটি যৌথ দায়িত্ব’- এই স্লোগানকে সামনে রেখেই নতুন এই কৌশল সাজানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওমানের এই পদক্ষেপ কেবল শ্রমিকদেরই শারীরিক সুরক্ষা দেবে না, বরং দেশটির সার্বিক অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে ওমানে কর্মরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী শ্রমিকদের কাছে এই উদ্যোগটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক একটি খবর। উন্নত ও সুরক্ষিত কর্মপরিবেশ তাদের জীবনের নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত করবে, তেমনি কাজের প্রতি আত্মবিশ্বাসও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।








