পটুয়াখালীতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়া, প্রবাসের কষ্টার্জিত অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ এবং পরবর্তী সময়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন এক সৌদিপ্রবাসী। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন ‘বাংলাদেশ পুরুষ অধিকার ফাউন্ডেশন’-এর পটুয়াখালী জেলা শাখার নেতা-কর্মীরা। মানববন্ধনে ওই প্রবাসী অভিযোগ করেন, সৌদি আরবে থাকাকালে প্রায় দুই বছর ধরে তিনি তাঁর উপার্জিত সব অর্থ স্ত্রী ফারজানা আক্তার মিমের ব্যাংক হিসাবে পাঠাতেন। কিন্তু তাঁর স্ত্রী রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে ওই অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান।

অর্থ ও সম্পদ নিয়ে চলে যাওয়ার পর ওই প্রবাসী আইনি পদক্ষেপ নিলে আদালত থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় এবং রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভুক্তভোগী প্রবাসীর দাবি, পরবর্তী সময়ে তাঁর স্ত্রী অন্যত্র বিয়ের উদ্যোগ নিলে পুলিশ তাঁকেও আটক করে। এরপর ১৩ দিন কারাগারে থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে উল্টো স্বামীর বিরুদ্ধেই যৌতুকের মামলা ঠুকে দেন স্ত্রী। স্ত্রীর দায়ের করা এই মামলাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক আখ্যা দিয়ে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধারের দাবি জানান।
আরও
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রেই একতরফাভাবে কাউকে দায়ী না করে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের করে আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তাঁরা প্রবাসীদের উপার্জিত অর্থ ও সম্পদের আইনি নিরাপত্তা এবং মিথ্যা মামলার অভিযোগগুলো যথাযথভাবে তদন্তের জোর দাবি জানান। কর্মসূচি থেকে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয়। তবে এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত স্ত্রী ফারজানা আক্তার মিম বা রুহুল আমিনের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।









