ওমানে মসজিদ, রাস্তাঘাট কিংবা দোকানপাটে ভিক্ষাবৃত্তি করলে তা এখন থেকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এক সতর্কবার্তায় পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি স্থানে ভিক্ষা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। মূলত সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশজুড়ে অবৈধভাবে অর্থ উত্তোলনের প্রবণতা কমাতেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে ওমান প্রশাসন।
ওমানের দণ্ডবিধির ২৯৭ ধারা অনুযায়ী ভিক্ষাবৃত্তিকে অপরাধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই আইন অমান্য করলে অপরাধীকে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তির প্রমাণ পাওয়া গেলে এক বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০০ ওমানি রিয়াল জরিমানা হতে পারে। অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ড এবং জরিমানা- উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে এই আইনে।
এই আইনি সতর্কতা ওমানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক প্রবাসীই স্থানীয় আইনকানুন সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত না থাকায় কিংবা অন্যের প্ররোচনায় পড়ে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়েন, যা তাদের কর্মজীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ওমান প্রশাসনের এই কড়া বার্তার পর প্রবাসীদের যেকোনো ধরনের সাহায্য চাওয়া বা আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। আইন অমান্য করলে জেল-জরিমানার পাশাপাশি ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরত পাঠানোর মতো কঠোর পদক্ষেপের মুখেও পড়তে হতে পারে।










