যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির মাঝেই বিশাল এক প্রাকৃতিক গ্যাসখনির সন্ধান পেয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে এই নতুন খনির খোঁজ মিলেছে। ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ ও এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই খনিতে প্রায় ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ জানিয়েছেন, খনিটিতে বিশাল মজুত থাকলেও সেখান থেকে সম্পূর্ণ গ্যাস হয়তো তোলা সম্ভব হবে না। তবে ২১২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ঘনমিটারের মধ্যে ১৬০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি গ্যাস সহজেই উত্তোলনযোগ্য। এই খনির একটি বড় ইতিবাচক দিক হলো, এখানকার গ্যাসে হাইড্রোজেন সালফাইডসহ অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় উপাদানের মাত্রা বেশ কম। এর ফলে খনিটি থেকে গ্যাস উত্তোলনের প্রক্রিয়াটি তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ ও আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করছে দেশটির সরকার।
আরও
জ্বালানি তেলের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাসেও ইরানের অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের কারণে দেশটির তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দৈনিক গ্যাস উত্তোলনে। সরকারি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, সংঘাত শুরুর আগে ইরানের গ্যাস খনিগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উত্তোলন করা হলেও, গত জুলাই মাসে তা ব্যাপক হারে কমে গড়ে মাত্র ২৩০ মিলিয়ন ঘনমিটারে দাঁড়িয়েছে।












