যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘদিন জনসমক্ষে দেখা যায়নি তাঁকে। চারপাশের যুদ্ধাবস্থার মধ্যে আড়াল থেকেই তিনি দেশের নেতৃত্ব ও শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর এই নেতার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ১৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি প্রকাশ করে। সেখানে মোজতবা খামেনিকে কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে বসে কথা বলতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাঁকে সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থাতেই দেখা গেছে। তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ভিডিওটি ঠিক কখন ও কোথায় ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে মেহের নিউজের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এমনকি মোজতবাকে ঘিরে থাকা ওই ব্যক্তিদের পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।

আরও
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি এবং তাঁর কোনো অডিও বা ভিডিও বার্তাও প্রকাশিত হয়নি। তাঁর দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশনা মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে অথবা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পড়ে শোনানোর মাধ্যমেই প্রকাশ করা হতো।
মেহের নিউজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চীনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনও মেহের নিউজের বরাত দিয়ে তাদের ফেসবুক পেজে ভিডিওটি প্রকাশ করেছে। তবে মেহের নিউজের ইংরেজি সংস্করণের ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন বা ভিডিও পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন পর মোজতবা খামেনির উপস্থিতির এই ভিডিও সামনে আসায় তাঁর শারীরিক অবস্থা ও বর্তমান কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ভিডিওটির স্থান, সময় ও উপস্থিত ব্যক্তিদের পরিচয় নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।











