কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে না জানিয়ে মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য ও শাকসবজি নিয়ে প্রবেশের চেষ্টাকালে তিন বাংলাদেশি পর্যটক আটক হয়েছেন। অবৈধভাবে এসব কৃষিপণ্য বহনের দায়ে ওই তিন ব্যক্তিকে ১ হাজার ৩০০ ডলার জরিমানা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দেড় লাখ টাকার সমপরিমাণ।
কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির (সিবিএসএ) চৌকস গোয়েন্দা কুকুরের সাহায্যে এসব পণ্য শনাক্ত করা হয়। সংবাদমাধ্যম টরন্টো সানের বৃহস্পতিবারের (১৪ মে) এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধারলা, ওলগা এবং থিও নামের তিনটি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ওই যাত্রীদের লাগেজ থেকে নিষিদ্ধ এসব খাবার খুঁজে বের করে। সব মিলিয়ে ওই তিন যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ৪৫ কেজি ওজনের মাংস, দুগ্ধজাত সামগ্রী ও শাকসবজি জব্দ করা হয়েছে।
সিবিএসএ তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছে। সংস্থাটি জব্দ করা পণ্যের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায়—টেবিলের ওপর সারি সারি কৃষিপণ্য সাজানো রয়েছে আর সেগুলো খুঁজে বের করা কুকুর তিনটি পাশে বসে আছে। ঠিক কবে এই আটকের ঘটনা ঘটেছে তা নির্দিষ্ট করে না জানালেও সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে যে, চলতি মাসেই বাংলাদেশ থেকে যাওয়া একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
আরও
কানাডার শুল্ক ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, দেশটিতে প্রবেশকারী যেকোনো নাগরিক, প্রবাসী বা পর্যটককে সঙ্গে থাকা খাবারের বিষয়ে অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে অবহিত করতে হয়। টরন্টো সানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাধ্যতামূলক ঘোষণার তালিকায় কাঁচা বা রান্না করা মাংস, দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, মাছ, পশুর চামড়া এবং সামুদ্রিক মাছসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষার স্বার্থেই এসব নিয়ম অত্যন্ত কঠোরভাবে পালন করে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী।










