পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই আলোচনার আগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস। প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ অনাস্থার কথা জানিয়ে আসছে ইরান। বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর আমেরিকা সেই আস্থা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলেও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স স্বীকার করেছেন যে, এই অবিশ্বাসের বরফ রাতারাতি গলানো সম্ভব নয়।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। এর মধ্যেই নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসার কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র। পুনরায় বৈঠক শুরুর বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো মতামত জানানো হয়নি। তবে ওয়াশিংটনের দাবি, তেহরান এই আলোচনায় বসতে যথেষ্ট আগ্রহী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভেঙে যাওয়া ওই শান্তি আলোচনার পর পাকিস্তানে আবারও নতুন করে দুই দেশের মধ্যে সংলাপ শুরু হতে পারে।
এদিকে, পুনরায় শান্তি আলোচনার এই উদ্যোগের আগেই ইরানের বিভিন্ন বন্দরে কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এর কড়া জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইরানও, যার ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আঞ্চলিক এই সংঘাতের রেশ গিয়ে পড়ে লেবাননেও; সেখানেও অব্যাহত হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ও বহু মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।










