নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো একটি বিশেষ অভিযান নস্যাৎ করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান। দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আম্বিয়ার মুখপাত্র আজ রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মধ্য ইরানের ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চলে পরিচালিত এক সমন্বিত অভিযানে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে।
মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যমতে, নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের জন্য মার্কিন বাহিনী মরিয়া হয়ে ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালালে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি), নিয়মিত সেনাবাহিনী (আর্তেশ), বাসিজ ও পুলিশ বাহিনীর এক যৌথ প্রতিরোধে মার্কিন উড়োজাহাজগুলোকে বাধা দেওয়া হয়। ইরানের দাবি, এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার এবং একটি সি-১৩০ সামরিক পরিবহন বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চলে বিধ্বস্ত এসব উড়োজাহাজ জ্বলন্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ইরানি সামরিক মুখপাত্র এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ১৯৮০ সালের এপ্রিলে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ ‘অপারেশন ঈগল ক্ল’–এর সঙ্গে বর্তমান ঘটনার তুলনা টেনে তিনি একে ঐশ্বরিক সহায়তার ফল বলে বর্ণনা করেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযানকে সফল হিসেবে প্রচার করে ঘটনার গুরুত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন। তবে ইরান পুরো বিষয়টিকে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে বড় জয় হিসেবেই দেখছে। এদিকে এখন পর্যন্ত পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে মার্কিন বাহিনীর এত বড় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।










