ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী কাতাইব সাইয়্যেদ আল-শুহাদা যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্রদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইরানে হামলার উদ্দেশ্যে যদি কুয়েতের ভূখণ্ড ব্যবহার করা হয়, তবে এর চরম প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ইরাক-কুয়েত সীমান্ত গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কুয়েতের মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর কিংবা সিরিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা সরাসরি আঞ্চলিক সীমানা লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোও একইভাবে সীমান্ত ভেঙে পাল্টা আইনি ও সামরিক ব্যবস্থা নেবে। বিবৃতিতে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে সংঘাতের ময়দানে ‘চোখের বদলে চোখ এবং দাঁতের বদলে দাঁত’ নীতিতেই জবাব দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরানের অভ্যন্তরে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই ইরাকি এই গোষ্ঠীটির কঠোর বার্তা সামনে এল। একই সঙ্গে, ইরাক ও লেবাননে সক্রিয় থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপরও যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের সামরিক তৎপরতা সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও হুমকির মুখে ফেলেছে।
আরও
এদিকে মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে বসে নেই ইরান ও তাদের সমর্থিত আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোও। তারা নিয়মিতভাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় এরই মধ্যে কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা এসব গোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।









