মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যে মানবপাচারবিরোধী বিশেষ অভিযানে অবৈধ অভিবাসী পাচারকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তৎপরতা উন্মোচন করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। গত ১৭ জানুয়ারি পরিচালিত অভিযানে একটি গোপন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একজন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, আটক অভিবাসীরা মালয়েশিয়া–থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়ে অবৈধ স্থলপথে দেশটিতে প্রবেশ করেছিলেন। পরবর্তী গন্তব্যে পাঠানোর আগে তাদের কাছ থেকে বাকি অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে ওই আশ্রয়কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছিল। অভিযানের সময় আশ্রয়কেন্দ্রটিতে মানবপাচারের সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়।
তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, এই চক্রটির মূল সংগঠক হিসেবে বাংলাদেশি নাগরিক ‘ইকবাল’-এর নাম। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি থাইল্যান্ডে অবস্থান করেই পুরো সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। পাচার হওয়া প্রত্যেক অভিবাসীর কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করত চক্রটি।
আরও
কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, অবৈধ এই মানবপাচার কার্যক্রম থেকে সিন্ডিকেটটির মোট আয় প্রায় ১৫ লাখ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত হতে পারে। একই সঙ্গে এই অপরাধে জড়িত স্থানীয় মালয়েশিয়ান নাগরিকদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে তারা নিয়মিত ও কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখবে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।










