Long Popup (2)
সর্বশেষ

‘হার্টে গুলি করেছে’, বাবা-মায়ের মৃত্যুর বর্ণনা দিলো গাজার অবুঝ শিশুরা

'Shot in the heart', Gaza's helpless children describe parents' deathsProbashircityWebPopupUpdate

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের লাগাতার হামলায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষের জীবন ঝরে গেছে। প্রতিদিনের বোমাবর্ষণে অসংখ্য পরিবার নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। কোনো শিশু তার মা–বাবাকে হারিয়েছে, আবার কোনো বাবা–মা হারিয়েছেন তাদের সন্তানকে। বহু শিশুই এত অল্প বয়সে এতিম হয়ে পড়েছে যে, তারা এখনো বুঝে উঠতে পারছে না জীবনে কত বড় শূন্যতা নেমে এসেছে।

সোমবার আল জাজিরা প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাজার কয়েকজন শিশুর সঙ্গে কথা বলছেন এক ব্যক্তি। তিনি জানতে চান—তাদের বাবা–মা কেউ মারা গেছেন কি না। এক শিশু জানায়, তার বাবা-মা দুজনই নিহত হয়েছেন। পাশে থাকা এক মেয়ে সহপাঠীকে ইশারা করে সে বলে, “তার বাবাও মারা গেছে।”

প্রশ্নকারী বিস্ময় জানালে আরেক শিশু বলে, “না, ওর মা মারা গেছে।” পর মুহূর্তেই শিশুরা নিজেদের পরিবারের করুণ ইতিহাস বলতে শুরু করে। একজন জানায়, তার বাবা নাবলুসে মারা গেছেন। আরেক শিশু বলে, তার বাবা ‘মেরাজ’ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন, যখন তিনি পরিবারের জন্য আটা কিনতে বের হয়েছিলেন।

একটি ছেলে শিশুর কথায় ফুটে ওঠে শোক ও অভাবের নির্মম বাস্তবতা—“আমার বাবাকে এখানে গুলি করেছে,” বলে সে নিজের বুকে ইশারা করে। মেয়েটি জানায়, তার বাবাকে তিনবার গুলি করা হয়েছিল।

শিশুদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে গাজার মানুষের প্রতিদিনের ট্র্যাজেডি। কোনো শিশুর বাবা লাকড়ি সংগ্রহে গিয়েছিলেন পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করতে, কিন্তু ফেরেননি জীবিত অবস্থায়। যুদ্ধের নির্মমতায় যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, সেই শিশুরাই আজ মানবিক বিপর্যয়ের সবচেয়ে করুণ মুখ।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate