মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধে তিনি এই উদ্যোগ নিতে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আফ্রিকার এই দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মানবিক সংকট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ট্রাম্প স্বীকার করেন, সুদানের পরিস্থিতি গভীর মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে এবং তা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে। তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, সৌদি আরবসহ আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ওয়াশিংটন নতুন উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ট্রাম্প বলেন, “সৌদি যুবরাজ চান আমি সুদানে শক্তিশালী ভূমিকা রাখি। শুরুতে আমি এটি আমার অগ্রাধিকার হিসেবে ভাবিনি। মনে হয়েছিল পরিস্থিতি অনেক দূর গড়িয়েছে। কিন্তু পরে বুঝেছি বিষয়টি সৌদি আরব ও তার মিত্রদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কাজ শুরু করতে যাচ্ছি—যদিও এটি সহজ হবে না।”
আরও
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ব্যক্তিগতভাবে সুদানের যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে আসছেন যে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাত থামাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন; যদিও এসব দাবি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবুও সুদানের চলমান সংকট সমাধানে ট্রাম্পের সম্ভাব্য মধ্যস্থতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স













