কুয়েতে অবৈধভাবে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও সরকারি ওষুধ বিক্রির অভিযোগে বাংলাদেশিসহ আটজন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহর নির্দেশে ফারওয়ানিয়া এলাকার একটি আবাসিকে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি অবৈধভাবে পরিচালিত ব্যক্তিগত ক্লিনিকের সন্ধান মেলে।
অভিযানে প্রথমে চারজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসকের বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই রোগী দেখছিলেন, আর বাকিরা নিয়মিত সেই অবৈধ ক্লিনিক পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ক্লিনিকটির কার্যক্রম সম্পর্কে নানা অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।
তদন্তে জানা যায়, ওই ক্লিনিকে সরকারি ওষুধ সরবরাহে তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক সম্পৃক্ত। এছাড়া একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত আরেক বাংলাদেশি কর্মচারী নিয়মিত সরকারি ওষুধ চুরি করে এই অবৈধ ক্লিনিকে পৌঁছে দিতেন। ফলে অবৈধ চিকিৎসাসেবা ও সরকারি সম্পদ অপব্যবহারের চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও
সব মিলিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মোট আটজন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েত প্রশাসন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা নিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অভিযানের সময় উদ্ধার করা সরকারি ওষুধগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।
কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবৈধ চিকিৎসা সেবা, অনুমোদনবিহীন ক্লিনিক ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।












