মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন বিভাগ ‘ওপেন ভিসা’ ব্যবহার করে অবৈধভাবে কাজ করা বিদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বিভাগ জানিয়েছে, ভিসার শর্ত ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। একইসঙ্গে, অবৈধভাবে কাজ করানো নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের হতে পারে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, অবৈধ বাণিজ্য ও অনুমোদিতহীন কাজের সঙ্গে জড়িত বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানে দেখা গেছে, অনেক বিদেশি তাদের ভিসা বা পারমিটের শর্ত অমান্য করে কাজ করছেন, বা এমন কাজে যুক্ত হয়েছেন যার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় গণমাধ্যম সান এমভি জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন বিভাগ স্পষ্ট করেছে, বিদেশিরা কেবলমাত্র তাদের নির্ধারিত কর্মস্থলে কাজ করতে পারবেন। স্ব-কর্মসংস্থান বা ব্যবসা থেকে অর্থ উপার্জন এই ভিসায় বৈধ নয়। ‘ওপেন ভিসা’র মাধ্যমে কোনো ধরনের চাকরি মালদ্বীপে অনুমোদিত নয়।
আরও
নিয়োগকর্তাদেরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, কর্মীদের অন্যত্র কাজে পাঠানো হলে তাদের বিরুদ্ধে নির্বাসন ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলা দায়ের করা হবে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিদেশি কর্মীদের কর্মকাণ্ডকে আইনসম্মত সীমার মধ্যে আনা এবং দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষা করা।
মালদ্বীপ সরকার জানিয়েছে, ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মধ্যে তারা অবৈধ অভিবাসনের সমস্যা সমাধান করতে চাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেশটিতে বসবাসরত সব বিদেশির তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অবৈধ বিদেশিদের শনাক্তে অভিযানও শুরু হয়েছে।












