ওমানে আটকা পড়েছেন ভারতের ১১ জন অভিবাসী শ্রমিক। তারা অভিযোগ করেছেন, চার মাস ধরে বেতন পাননি, অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিকও দেওয়া হয়নি, এমনকি পাসপোর্টও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যখন তারা কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন নিয়োগকর্তা তাদের কোম্পানির বাসস্থান থেকে বের করে দেয়।
শ্রমিকরা জানান, দেশে যাওয়ার আগে তাদের স্থায়ী চাকরি ও থাকার ব্যবস্থা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ওমানে এসে তারা প্রতারণার শিকার হন। বর্তমানে তারা টাকা-পয়সা, নথিপত্র ও আশ্রয়বিহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয় পরিচিতজন এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক সহায়তার ওপর নির্ভর করেই দিন কাটাচ্ছেন তারা।
একজন শ্রমিক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, “আমরা দিনরাত পরিশ্রম করেছি, কিন্তু চার মাস ধরে বেতন পাইনি। কাজ করতে অস্বীকার করলে পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয়, এবং থাকার জায়গা থেকেও বের করে দেওয়া হয়।”
আরও
অভিযুক্ত শ্রমিকদের পরিবার ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (MEA) কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছে। তারা প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপদে দেশে ফেরানোর জন্য সরকারি সাহায্য কামনা করছেন।
এদিকে অভিবাসী শ্রমিক অধিকারকর্মীরা বলছেন, ভুয়া আশ্বাস ও প্রতারণার মাধ্যমে শ্রমিক বিদেশ পাঠানো বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দালালচক্র এবং অসাধু রিক্রুটিং এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।









