ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় লরির চাপায় ওমান প্রবাসীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সদর দক্ষিণ উপজেলার দয়াপুর এলাকায় নবনির্মিত একটি ইউটার্নে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হন কুমিল্লা নগরীর লইপুরার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে হাসান ওরফে বুতা মিয়া। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাস্তা পার হওয়ার সময় প্রবাসী হাসান লরির নিচে চাপা পড়েন। পরে নিহতের মরদেহ মহাসড়কে রেখে বিক্ষুব্ধ জনতা ইউটার্নটি বন্ধের দাবিতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় উভয় পাশে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক সপ্তাহ আগেই একই ইউটার্নের কাছে কাভার্ডভ্যানের চাপায় একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার পর সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে দয়াপুর এলাকায় নতুন ইউটার্ন চালু করা হলে বৃহস্পতিবারের দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে পুরোনো ইউটার্নটি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
আরও
সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে শিগগিরই নতুন করে ৫০০ মিটার দূরে একটি নিরাপদ ইউটার্ন তৈরি করা হবে। সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানান, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ইউটার্নে এখন থেকে সার্বক্ষণিক ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের অবরোধের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হলেও রাত ৮টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।









