পরিবারের ইচ্ছা ছিল ছেলে সেনাবাহিনীতে যোগ দেবে। কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি তার গভীর আগ্রহ তাকে অন্য পথে নিয়ে যায়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ার দেরা ইসমাইল খান থেকে সে গোপনে পাকিস্তানের উদ্দেশে বের হয়।

ট্রাকে তিন দিনের যাত্রার পর ইমরান পৌঁছে করাচিতে। অনূর্ধ্ব-১৯ ট্রায়ালে ৬ ম্যাচে ২১ উইকেট নিয়ে এবং ১৪৩ কিমি/ঘণ্টার বোলিংয়ে নজর কাড়লেও, পাকিস্তানের ক্রিকেটের স্বজনপ্রীতি তাকে সুযোগ দেয়নি। হতাশ ইমরান জীবিকা অর্জনের দিকে মনোযোগ দেন।
আরও
২০১৯ সালে তার ভাগ্য বদল হয়। একজন বন্ধু তার বোলিং ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করলে ওমানের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তার খেলার ধরন ও গতির দিকে দৃষ্টি দেয়। ইমরানকে ওমানে নিয়ে গিয়ে, দিনে ১২ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরা ইনস্টলেশনের কাজ করার পাশাপাশি ক্রিকেট অনুশীলন চালিয়ে যান।
অধিকন্তু, তার আন্তর্জাতিক খেলার স্বপ্নও পূরণ হয়। ৩৫ বছর বয়সে, গত ফেব্রুয়ারিতে ওমানের হয়ে অভিষেক ঘটে। এখন তিনি আসন্ন এশিয়া কাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া আট দলের এশিয়া কাপে ইমরানও অংশ নেবেন। ওমানের গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।











