সৌদি আরবে বিপাকে পড়া অনেক বাংলাদেশি যেকোনো উপায়ে দেশে ফিরতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন। এ কারণে তারা ট্র্যাভেল পাস সংগ্রহ করে দেশে ফিরছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বাংলাদেশি জাল বা ভুয়া ট্র্যাভেল পাস ব্যবহার করে ফেরার চেষ্টা করায় দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছে।
গত ২১ জুলাই প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনেক প্রবাসী বিভিন্ন দালাল বা এজেন্সির মাধ্যমে নকল ট্র্যাভেল পারমিট সংগ্রহ করছেন। এসব ভুয়া পাস ব্যবহার করে দেশে ফেরার চেষ্টা করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং ফেরত পাঠানোর ঝুঁকি বাড়বে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শুধু বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ এবং জেদ্দাস্থ কনস্যুলেট জেনারেলই সরকারিভাবে বৈধ ট্র্যাভেল পাস ইস্যু করে থাকে, যা সাধারণত ১-২ দিনের মধ্যেই সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া সরকার অনুমোদিত প্রবাসী সেবাকেন্দ্রগুলো আবেদন গ্রহণ ও অনুমোদিত পাস বিতরণের কাজ করে থাকে। দূতাবাস সবাইকে এসব বৈধ মাধ্যম ছাড়া অন্য কোথাও না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
আরও
প্রসঙ্গত, সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী দেশটিতে কাজ করতে যান। তবে অনেক সময় শ্রমিকেরা নিয়োগকারী কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিভঙ্গ, আকামা সংক্রান্ত জটিলতা ও বেতন না পাওয়ার মতো সমস্যায় পড়েন। এতে তারা অবৈধ হয়ে পড়েন এবং দেশে ফিরতে বাধ্য হন। যাদের পাসপোর্ট ও বৈধ কাগজপত্র থাকে না, তাদের জন্য দূতাবাস জরুরি ভিত্তিতে ট্র্যাভেল পাস ইস্যু করে। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র জাল ট্র্যাভেল পাস সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।











