মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) থেকে ৯৬ বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মোট ১৩১ জন যাত্রীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ভ্রমণ শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে দেশটির বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি (বিসিপিএ)। স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য স্টার-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিসিপিএ জানায়, যাত্রীদের মধ্যে অনেকে পর্যাপ্ত অর্থ ছাড়া প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। কেউ কেউ মাত্র ৫০০ রিংগিত (প্রায় ১৩ হাজার টাকা) সঙ্গে নিয়ে দাবি করেন যে তারা এক মাস মালয়েশিয়ায় থাকবেন। আবার কারও থাকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কিংবা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে স্বচ্ছ তথ্য উপস্থাপন ছিল না। এইসব কারণে তাদের প্রবেশে সন্দেহ তৈরি হয় এবং অভিবাসন নীতিমালা অনুযায়ী ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কেএলআইএর টার্মিনাল-১ এর আগমন গেটগুলোতে বিসিপিএর নেতৃত্বে এক বড় ধরনের তল্লাশি ও স্ক্রিনিং অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৩০০ জনের বেশি বিদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যাচাই শেষে ৯৬ জন বাংলাদেশি, ৩০ জন পাকিস্তানি ও পাঁচজন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়।
আরও
মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে তারা কোনো আপস করবে না। সন্দেহজনক উদ্দেশ্যে বা ভুয়া নথি নিয়ে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে তারা।
দেশটিতে প্রবেশে আগ্রহী যেকোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা, যথেষ্ট আর্থিক সামর্থ্য, এবং থাকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সীমান্তে এখন আরও কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং প্রতিটি যাত্রীর তথ্য ও কাগজপত্র গভীরভাবে যাচাই করা হচ্ছে।









