টানা চার দফা দাম বৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল, যা ছিল ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেওয়া একটি বিজ্ঞপ্তি। এবার সংগঠনটি ২২ ক্যারেটের এক ভরিতে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকায়।
আরও
বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও গুণাগুণভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, গত ২২ এপ্রিল বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সে সময় ভরিতে একলাফে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২০ হাজার ৫১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা গত ২৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়।
এই নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৯ বার এবং কমানো হয়েছে মাত্র ৭ বার। ২০২৩ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৭ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম কমলেও, দেশের বাজারে রুপা আগের রেকর্ড দামেই বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে, দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮৪৬ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৭১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৩৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭৫০ টাকায়।












